
এম মুরশীদ আলী : অসাধু ব্যবসায়ীরা রূপসার বিভিন্ন গ্ৰামে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গড়ে তুলেছে কাঠ পুঁড়িয়ে কয়লার অবৈধ রমরমা ব্যবসা। অবশেষে গুড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে বিষাক্ত ধোঁয়া ও বায়ু দূষণে জর্জরিত স্থানীয় জনতা ধৈয্যের বাঁধ ভেঙে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টার দিকে উপজেলা প্রশাসন নির্দেশে ফায়ার সার্ভিস টীম ও থানা পুলিশ উপস্থিতিতে সামন্তসেনা ও দেবীপুরে এলাকায় কাঠ পুঁড়িয়ে কয়লা উৎপাদনের ৯ টি অবৈধ চুল্লি ধ্বংস করে দেয়।
ক্ষতিগ্রস্ত বসতিরা জানান- এখানে অসংখ্য বসতিদের ফলজ ও বনজ গাছ এবং পানের বরোজের পাশে খামখেয়ালি ভাবে চুল্লি স্থাপন করাতে উচ্চ তাপদাহে ক্ষতির সম্মুখীন। তাছাড়া আঠারোবেকী নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা চুল্লি এলাকায় লোক সমাগম কম থাকায় মাদক সেবন ও বেচাকেনার নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে মাদক কারবারি রা। এ সকল ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা হয়। তিনি জানান- কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরণের ক্ষতিকর অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য ও জীব বৈচিত্রের ওপর চাপের সৃষ্টি হয়। চুল্লির আগুনের তাপ ও কালো ধোঁয়ায় বসতিদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি। যে কারণে এ অবৈধ চুল্লি একেবারেই পানি মেরে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, রূপসার নৈহাটি, শ্রীফলতলা, টিএসবি ও ঘাটভোগ ইউনিয়ন এলাকায় অসংখ্য অবৈধ চুল্লির খবর পেয়েছি সেগুলিও অভিযান চালিয়ে নষ্ট করা হবে।
